যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে আরো গতি আনার দাবি
৩ ডিসেম্বর ২০১১সমাবেশে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান বলেছেন এখানে বিচার শুরু হওয়ার পর যুদ্ধাপরাধীরা যে আস্ফালন দেখাচ্ছে তা মেনে নেয়া যায়না৷
অন্যদিকে বিএনপি নেতা মওদুদ আহমেদ এক সংবাদ সম্মেলনে যুদ্ধাপরাধ ট্রাইবুনালের কার্যক্রম বন্ধের দাবি জানিয়েছেন৷
কনভেনশনে সারাদেশ থেকে আসা মুক্তিযোদ্ধাদের শপথ পড়ান সেক্টর কমান্ডার্স ফোরামের সমন্বয়কারী সাবেক সেনাপ্রধান হারুন উর রশীদ৷ তারা শপথ করেন বাংলাদেশের মাটিতে সব যুদ্ধাপরাধীর বিচার না হওয়া পর্যন্ত তাদের আন্দোলন থামবেনা৷
সেক্টর কমান্ডার্স ফোরামের প্রধান এবং পরিকল্পনামন্ত্রী এ কে খন্দকার বলেন, যুদ্ধপরাধীদের বিচারে আরো গতি আনতে হবে৷ প্রয়োজেন ট্রাইবুনালে বিচারকের সংখ্যা বাড়াতে হবে৷ বাড়াতে হবে তদন্তকারী এবং প্রসিকিউটরের সংখ্যা৷ কারণ তারা সব যুদ্ধাপরাধীর বিচার চান৷ দু'একজন যুদ্ধাপরাধীর বিচার করলেই চলবেনা৷ তাই বিচারের গতি এবং বিচারক না বাড়ালে অনেক সময় লেগে যাবে৷
আর জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মিজানুর রহমান বলেছেন বাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধের বিচার শুরু হওয়ার পর যুদ্ধাপরাধীরা আস্ফালন শুরু করেছে৷ বিশ্বের অনেক দেশেই যুদ্ধাপরাধের বিচার হয়েছে৷ কিন্তু বাংলাদেশের মত কোথাও যুদ্ধাপরাধীরা আস্ফালন দেখাতে পারেনি৷ তাদের আষ্ফালন বন্ধের ব্যবস্থা করতে হবে৷
অন্যদিকে বিএনপি'র স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ এক সংবাদ সম্মেলনে যুদ্ধাপরাধের বিচার প্রক্রিয়া বন্ধের দাবি জানিয়েছেন৷ তাঁর দাবি বাংলাদেশে যুদ্ধপরাধের বিচারে আইন কানুন যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়নি৷
মুক্তিযোদ্ধাদের কনভেনশেনে বাংলাদেশে যুদ্ধপরাধের বিচারে সমর্থন এবং সহযোগিতা দেয়ায় দুই মার্কিন নাগরিককে সম্মাননা জানান হয়৷
প্রতিবেদন: হারুন উর রশীদ স্বপন, ঢাকা
সম্পাদনা: জাহিদুল হক