জার্মানির পূর্বাঞ্চলের অর্থনীতি
৪ অক্টোবর ২০১৪স্লথ গতি
‘‘অর্থনৈতিক দিক দিয়ে সাবেক পশ্চিম জার্মানির কাছাকাছি আসার প্রক্রিয়াটা গত বছরগুলিতে স্লথ গতিতে এগিয়েছে পূর্বাঞ্চলে৷'' জানান পূর্ব জার্মানি-বিষয়ক ভারপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা ইরিস গ্লাইকে৷ হতাশাবাদীরা আরেক ধাপ এগিয়ে বলছেন, প্রক্রিয়াটা থেমে আছে৷
পূর্বাঞ্চলের জন্য ‘সংহতি কর' প্রদানের মেয়াদ ২০১৯ সালে শেষ হয়ে যাবে৷ পূর্ব ও পশ্চিমের কাঠামোগত দিক দিয়ে দুর্বল অঞ্চলগুলির জন্য সহায়তা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান ইরিস গ্লাইকে৷
অন্যদিকে মিউনিখের অর্থনৈতিক গবেষণা ইন্সটিটিউট ‘ইফো' এ ব্যাপারে একটি হতাশাব্যঞ্জক চিত্র তুলে ধরেছে: ‘‘পূর্ব ও পশ্চিমাঞ্চলের দূরত্বটা অনেক বছর ধরে একই রকম রয়েছে৷ পশ্চিমের জীবনমানের সমকক্ষ হওয়ার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না৷ দুই অঞ্চলের মধ্যে সমতা আনার প্রচেষ্টায় সফল হয়নি জার্মানি৷''
ফারাকটা বেশি
১৯৯৫ থেকে ২০১৩ সালের মধ্যে পূর্বাঞ্চলে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ২০ শতাংশ হলেও পশ্চিমাঞ্চলে তা হয়েছে ২৭ শতাংশ৷ রাজস্ব আয়ের ক্ষেত্রে পূর্ব ও পশ্চিমের ফারাকটা এখনও অনেক বেশি৷ বেকারত্বের হার পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলিতে তুলনামূলকভাবে বেশি৷ ২০১৩ সালে পূর্বাঞ্চলে বেকারের হার ছিল ১০.৩ শতাংশ, পশ্চিমাঞ্চলে ৬.০ শতাংশ৷ পুব থেকে পশ্চিমে অভিবাসন করার প্রবণতা গত বছরগুলিতে অনেক কমে গেলেও ভবিষ্যতে পুর্বাঞ্চলের জনসংখ্যা ব্যাপকভাবে হ্রাস পাবে বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা৷
পুবের চোখে ইতিবাচক
এক জরিপে জানা গিয়েছে সাবেক পূর্ব জার্মানির ৭৫ শতাংশ মানুষ বিশেষ করে অল্পবয়সিরা জার্মানির পুনরেকত্রিকরণকে ইতিবাচক হিসাবে দেখে৷ অন্যদিকে সাবেক পশ্চিম জার্মানির উত্তরদাতাদের মাত্র ৪৮ শতাংশ দুই জার্মানির মিলনকে ইতিবাচক মনে করে৷
সাবেক পূর্ব জার্মানির মানুষরা ভ্রমণের ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতাকে সবার ওপরে মূল্য দেন৷ এরপরের স্থানে রয়েছে অর্থনীতি, জীবনযাত্রার মান ও পেশাগত উন্নতি৷
আরবি/ডিজি (ডিপিএ)