জলের অস্তিত্বের দাবি নাসার
২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৫হ্যাঁ, নাসা জানিয়েছে রক্তিম এই গ্রহে নাকি জলের স্রোত বইছে গিরিখাত দিয়ে৷ এছাড়া গ্রীষ্মে গ্রহের অসংখ্য গহ্বরের মধ্যেও পানির অস্তিত্বের প্রমাণ মিলেছে৷ জলের দাগ মিলছে মঙ্গলের গায়েও৷
নাসার দাবি, মঙ্গলগ্রহের তাপমাত্রা শূন্য থেকে পঁচিশ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি হলেই জলের দেখা পাওয়া যাচ্ছে৷ কিন্তু প্রশ্ন হলো, এই পানি আসছে কোথা থেকে? বিষয়টি নিয়ে এখনও নিশ্চিত নয় নাসা৷ তবে তাদের ধারণা, মঙ্গলের মাটির নীচে বরফ বা নোনা কোনো কিছু থেকে জল আসতে পারে৷ তবে পানি যেখান থেকেই আসুক, এর ফলে মঙ্গলে প্রাণ আছে কিনা, তা নিয়ে বিতর্ক আবারো জোরালো হতে শুরু করেছে৷ তাই ভবিষ্যতের মঙ্গল অভিযানে যে সব এলাকায় জল আছে, সে সব এলাকাতেই মহাকাশযান অবতরণের উদ্যোগ নেবে নাসা৷ জলের নমুনা সংগ্রহ করে চলবে পরীক্ষা-নিরীক্ষাও৷ আর প্রাণের সন্ধান মিললে মঙ্গল যাতে বাসযোগ্য হয়ে ওঠে, তার জন্য অক্সিজেন তৈরির কাজ ইতিমধ্যেই শুরু করেছে নাসা৷
অবশ্য জার্মান জ্যোতির্বিজ্ঞানী রাল্ফ ইয়াউমান ডয়চে ভেলেকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, ‘‘মঙ্গলগ্রহে পানি পাওয়া গেছে ঠিকই৷ কিন্তু সেই জল অতিরিক্ত পরিমাণে লবণাক্ত৷ অর্থাৎ পান করার অযোগ্য৷ তবে মঙ্গল অত্যন্ত হিমায়িত হলেও, এই লবণাক্ততার ফলেই বরফ দ্রুত গলতে শুরু করবে৷ আর জলের ভারিত্বের কারণে তা বেশি সময় পর্যন্ত মঙ্গলপৃষ্ঠে থেকেও যাবে৷''
বলা বাহুল্য, মঙ্গলগ্রহ নিয়ে বিজ্ঞানীদের কৌতূহল আজকের নয়৷ সেখানকার অনেক বৈশিষ্ট্য আমাদের পৃথিবীর সঙ্গে মিলে যায়৷ সে কারণেই বহু বছর ধরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ মঙ্গলগ্রহ সম্পর্কে জানতে গবেষণা করে যাচ্ছিল৷
ডিজি/জেডএইচ